বসন্তে – নিমাইচন্দ্র দাস

উদার আকাশ মধুর বাতাস
সোনালী রোদের মিষ্টি আভাস। 
কুহু কুহু ডাক আমের ঐ শাখে
কৃষ্ণচূড়া লাল পথের ই বাঁকে।
 পলাশ রাঙা যে সেই রঙ মেখে 
মনকে রাঙাতে যায় যেন ডেকে।
প্রাণে লাগে দোলা দোদুল ছন্দে 
ময়ূরী নাচছে বনেতে আনন্দে
যত চুপ কথা গোপনে বিজনে
প্রকাশে উন্মুখ আজ এই ক্ষণে।
ফুল বলে ডেকে জীবনে জীবন 
যোগ করে চলো হয়ো না উন্মন।
নদীর জলেতে ওঠে যে লহরী
বলে-সেই  ধন্য যে পায় মাধুরী।

_____________________________________________________________________________________

পরিচিতি

নিমাই চন্দ্র দাস 

শিক্ষাগত যোগ্যতা – সংস্কৃত ও বাংলায় এম.এ। বি.এড। মহামহোপাধ্যায় গোপীনাথ কবিরাজ পুরস্কার প্রাপ্ত। প্রাচীন কলা কেন্দ্র চন্ডীগড় থেকে রবীন্দ্রসঙ্গীত বিশারদ।

হাওড়া টাউন স্কুলের সংস্কৃত ও বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক।

কবিতা লেখার শুরু বিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকে। প্রথম মুদ্রিত ও প্রকাশিত কবিতা ‘সন্ধ্যা’। নানা পত্রিকায় লেখালেখি। লিটল্ ম্যাগাজিনের সঙ্গে যোগ।

সন্দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত অভয়ারণ্যের বিভীষিকা। সম্পাদক ছিলেন সত্যজিৎ রায়।

প্রথম প্রকাশিত কবিতা সংকলন ‘কবিতা কুসুম’।

গল্প সংকলন –

১. প্রথম ফোটা ফুল (১৩৮১)
২. গল্পমালা ( গল্প সংকলন, ১৪১১)
৩. হিল্লোল (কাব্যগ্রন্থ, ১৪১০)
৪. আবরণ ( উপন্যাস, ১৩৮২)
৫. ছড়া ছবিতে জীবজন্তু (১৪১২)
৬. দেবী তীর্থ বৈষ্ণোদেবী ( ভ্রমণ কাহিনী, ২০১৫)
৭.  সেকালের দুর্গম তীর্থে একালের যাত্রী (ভ্রমণ কাহিনী, ২০২৫)